৫টি বিপজ্জনক প্রযুক্তি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব!
আজকে আমরা তথ্যবিষয়ক জিনিসের একটা গুরুত্বপূর্ণ রহস্যের কথা বলব। এরকম রহস্য যা দিনে বা রাতের অন্ধকারে করা হয়। কখনো কখনো আপনার ফোন স্লো হয়ে যায় আবার কখনো কখনো মনে হয় যেন আমাদের ফোন আমাদের কথা শুনছে লুকিয়ে। কেউ বলে ফাইভ-জি থেকে রেডিয়েশন বের হচ্ছে। আবার শোনা যায় ইন্টারনেটের মৃত্যু হয়ে গেছে। এরকম অনেক গল্প আছে যা আপনাকে ভাবতে বাধ্য করে তুলবে। এই আর্টিকেলটিতে যা আছে সবই ষড়যন্ত্র তত্ত্ব। তো আপনি মানেন না মানেন এটাই সত্য। তো চলুন শুরু করি ৫টি বিপজ্জনক প্রযুক্তি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব!
থিওরি নং ০১-ফেসবুক,অ্যাপল ,গুগল এই সব কোম্পানি আপনার ডাটা চুরি করে
তো সর্বপ্রথম থিওরি হচ্ছে ফেসবুক , অ্যাপল , গুগল এই সব কোম্পানি আপনার ডাটা নিয়ে নেয়। এটা সত্য। কিন্তু অনেক লোক বলেছে যে আপনার ফোন কোথাও পড়ে আছে যার মাধ্যমে আপনি কথা বলছেন ফোনে আর যে জিনিস নিয়ে আমরা কথা বলি ঐ সময়েই ফোন ওই বিষয় সম্পর্কে জেনে যায়।এটা সবচেয়ে বেশি ভয়ানক হয়ে যায়।এটি অনেকের সাথে হয়েছেও।
কখনো
ব্যাডমিন্টন
খেলেছো।
আমি
একদিন
ব্যাডমিন্টন
নিয়ে
কথা
বলছিলাম
একজনের
সাথে।
তারপরে
আমি
আমার
ফোন
খুলে
দেখি
ইউটিউবে
আমাজন
আর
ফেসবুকের
ব্যাডমিন্টনের
অ্যাড
আসে।
অনেক
লোক
বলে
যে
আমাদের
স্মার্টফোনের
মাইক্রোফোন
হয়
আবার
ক্যামেরা
হয়
সবগুলো
আমাদের
কথা
শুনে।
সব
ডাটা
একসাথে
করে
আমাদের
সামনে
অ্যাড
আনে।
আরও পড়ুন- ২০০ টাকায় সেরা 6টি গ্যাজেট
এখন
একটা
কাজ
করি
একটা
বিষয়
নিয়ে
আমরা
কথা
বলে
দেখি
তারপর
আমাদের
স্মার্টফোন
তা
শোনে
কিনা।
এখন
আমরা
মুখের
সামনে
কথা
বলব
বিয়ে
নিয়ে।
এখন আমি
আমার
বন্ধুকে
এখন
জিজ্ঞেস
করো
তুমি
কবে
বিয়ে
করবে? সে
আমাকে
বলল
তুই
কবে
করবি?তারপর
আমি
বললাম
বিয়ে
তো
বিয়েই।কিন্তু
এই
বিয়েতে
জামা
কাপড়ের
প্রয়োজন
হয়।এখন
আমি
ইংরেজিতে
বললাম
যে
(I want to bought some clothes for marrige)।তারপর
আমি
আমার
স্মার্টফোনের
সোসিয়াল
মিডিয়ার
অ্যাপগুলো
খুলি।দেখি
যে
ফেসবুক
স্ক্রল
করতে
করতে
বিয়ের
জামা
কাপড়ের
ছবি
চলে
এসেছে।এটা
কিভাবে
সম্ভব
হয়ে
যায়?কেউ
বলবে
এখন
বিয়ের
শীতের
সময়
চলতেছে
তাই
এইসব
ছবি
এসেছে।এছাড়া
আর
কি
আমি
কিছু
বুঝতে
পারছিনা
এটা
কিভাবে
হয়ে
যায়?তো
আমাদের
কথা
কি
স্মার্টফোন
শুনে
বা
এই
প্ল্যাটফর্ম
অনেক
বেশি
শক্তিশালী
হয়ে
গেছে
তাই।কি
জানি
কিভাবে
হয়
এটা!
থিওরি নং ০২-বায়োমেট্রিক এবং মুখের স্বীকৃতি
অনেকে
বলে
আমাদের
এই
আঙ্গুলের
ছাপের
ডাটা
অনেক
কোম্পানি
সংগ্রহ
করে
পুরা
ডাটাবেজ
তৈরি
করে।
তাদের
কাছে
আমাদের
পুরো
মুখের
ডাটা
, আঙ্গুলের
ফিঙ্গারপ্রিন্ট
সব
সেভ
করা
আছে।হতে
পারে
পার্সোনাল
ডাটা
কোম্পানি
তাদের
ডেটাবেজে
বা
সার্ভারে
ভালো
করে
সংগ্রহ
করে
রাখে।কিন্তু
এটা
যদি
হ্যাক
হয়ে
যায়
বা
ভুলে
ছড়িয়ে
যায়
তাহলে
অনেক
বেশি
সমস্যা
হতে
পারে।
এটা
আমি
সবসময়
মানি
যেসব
বড়
বড়
কোম্পানি
আছে
তারা
ঠিকমতো
ভালো
কাজ
করে
কিন্তু
ভাই
ভুল
যে
কারো
মাধ্যমে
হয়ে
থাকতে
পারে।
থিওরি নং ০৩-ফাইভ-জি থেকে রেডিয়েশন বের হচ্ছে
ফাইভ-জি
আসলে
দুই
টাইপের
হয়ে
থাকে।
একটা
হয়
আসল
ফাইভ
জি।
এটায়
ওয়ান
এমভিপিএস
এর
মতো
স্পিড
আছে।
আর
দ্বিতীয়টা
হচ্ছে
আল্ট্রা-ওয়াইড
ব্যান্ড।এটায়
ফোরজি
এর
আপডেট
ভার্সন
থাকে।
আরও পড়ুন - ভার্চুয়াল রেম কি কিভাবে কাজ করে?
আমি
চায়না
গিয়েছিলাম
যেখানে
ফাইভ-জি
এ
টাওয়ার
ছিল।এরপর
আমি
ইউএস
গিয়েছিলাম
সেখানে
ফাইভ
জি
এর
টাওয়ার
এবং
ফাইভ-জি
এর
এলাকা
দেখেছি।
আবার
ইন্ডিয়াতে
ফাইভ-জি
ব্যবহার
করে
দেখেছি।আমি
তিনটি
জাগাতেই
ফাইভ
জি
এর
ওয়ান
এমবিপিএস
স্পিড
দেখেছি।কিন্তু
তিনটি
জায়গাতেই
আমি
ফাইভ-জি
এর
টেস্ট
করেছি
আধা
ঘন্টার
জন্য
ফাইভ-জি
টাওয়ারের
সামনে।
ওই
সময়
কতক্ষণ
পরে
আমার
মাথায়
ব্যথা
শুরু
করে।এই
চায়না
, ইউএস
, ইন্ডিয়ায়
আমি
তিনটি
জায়গায়ই
একা
ছিলাম।আমার
সাথে
যারা
ছিল
তাদেরও
মাথায়
ব্যাথা
শুরু
করে।
আমাদের
সময়সূচি
কঠিন
ছিল
বা
আমরা
বেশি
টেস্ট
করে
ফেলেছিলাম
ফাইভ-জি
এর
বা
আমরা
গেম
বেশি
সময়
ধরে
খেলেছিলাম
এটা
কারো
জানা
নেই
এটা
আমিও
অনুভব
করেছিলাম।
কোন
সাইন্টিফিক
প্রমান
নেই
যে
ফাইভ-জি
এর
মাধ্যমে
আমাদের
শরীরের
কোন
ক্ষতি
হবে।
আসলে
এর
মধ্যে
ইলেকট্রো-ম্যাগনেটিক
রেজ
থাকে
যা
আমাদের
শরীরের
উপর
যেনো
প্রভাব
না
পড়ে।কিন্তু
এটা
বলা
ঠিক
হবে
না
যে
ফাইভ-জি
ক্ষতিকারক
আমাদের
জন্য।আবার
এটাও
বলা
যাবে
না
যে
ফাইভ-জি
এর
মাধ্যমে
আমাদের
শরীরের
কোনো
ক্ষতি
হয়
না।
আমরা
আমাদের
স্মার্টফোনকে
যতই
পছন্দ
করি
না
কেন
এর
মাধ্যমে
আমাদের
চোখের
পাশে
ও
উপর,জ্ঞানীয়
ফাংশনের
উপর, রাতে
যে
ফোনের
ভাইব্রেটর
হয়
তার
ফলেও
আমাদের
শরীরের
ক্ষতি
হয়ে
থাকে।
তিন্নির
জায়গায়
আমি
যেখানে
ফাইভ-জি
টেস্ট
করতে
গিয়েছিলাম
সেই
সব
পরীক্ষার
সরঞ্জাম
এই
বিষয়
নিয়ে
আমি
কোনো
কথা
বলবো
না।
থিওরি নং ০৪- বিটকয়েন এর অজানা তথ্য
বিটকয়েনের
ফাউন্ডার
হচ্ছে
সাতোসি
নাকামটো।
বিটকয়েন
আর
ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে
অনেক
বেশি
থিওরি
আছে।
কেউ
কেউ
বলে
এটা
টাকা-পয়সায়
এখান
থেকে
ওখানে
করার
জন্য
বানানো
হয়েছে।
কেউ
কেউ
বলে
বিচ
করে
যে
ফাউন্ডার
সে
তার
কাছে
অনেক
অনেক
বিটকয়েন
রেখে
দিয়েছে
বা
জমিয়ে
রেখেছে।
কিন্তু
একটা
সময়
আসবে
সেই
বিটকয়েন
বিক্রি
করে
দেবে
এবং
যত
বিটকয়েনের
প্রাইস
আছে
সেগুলো
একেবারে
নিচে
নেমে
যাবে।কারণ
তার
এতগুলো
বিটকয়েনের
আসল
নেটওয়ার্ক
ট্রিলিয়ন
ডলার
হবে।
কার
জানা
আছে
এই
লোক
কই
বসে
আছে? কিন্তু
বন্ধুরা
আমার
মনের
মধ্যে
এখনও
ক্রিপ্টোকারেন্সি
আছে।
থিওরি নং ০৫- এলিয়েনস কি আসলেই আসে?
ভাই
আসলে
এলিয়েন
দেখা
যায়।
ইউএস
গভার্মেন্ট
অরগানাইজেশন
(ইউ
এফ
ও) এর
ছবি
বের
করেছে।তারা
আকাশে
এরকম
একটি
জিনিস
উড়তে
দেখে
আসলে
এটা
কি
তারা
জানে
না।২০০৪
সালে
অনেক
ফাইটার
পাইলট(ইউ
এফ
ও) স্পট
করতে
ছিল।
এখন
অনেক
থিওরি
পরে
বব্লাজার
নামের
একজন
লোক
বলছে
যে
ইউ
এস
(ইউ
এফ
ও) এর
উপর
গবেষণা
করছে।
তারা
ঐটার
উপর
কাজ
করে
রেখেছে।তারা
(ইউ
এফ
ও)
আরও পড়ুন - ২০২২ এর সেরা কিছু গেমিং ফোন
বিষয়
অনেক
কিছু
ব্রডকাস্ট
করে
বলেছেন
যা
শুনতে
অনেকটা
সত্যি
মনে
হয়।
এই
বিষয়ে
আমার
কোন
ধারণা
নেই
যেটা
সত্য
কিনা
মিথ্যা।
আসলে
বব্লজার
একজন
সাইন্টিস্ট।
তিনি
কিছু
জিনিসের
ব্যাপারে
১৯৯৯
সালে
বলে
দিয়েছিল
যা
ওই
(ইউ
এফ
ও) তে
পাওয়া
গিয়েছিল।
এগুলো
আসলে
ঐসময়ে
আবিষ্কারও
হয়নি।
আর
সেগুলো
তারা
দশ
পনের
বছর
পর
আবিষ্কার
করে।
কিন্তু
আসলে
এলিয়েন
আছে
কি
নেই
এটা
কারো
ঠিক
ভাবে
জানা
নেই।
তো
আশা
করছি
আপনাদের
ভালো
লেগেছে।এই
ছিল
আজকের
গুরুত্তপূর্ণ
কিছু
রহস্যের
কথা।আপনাদের
পড়ার
জন্য
ধন্যবাদ।আল্লাহ
হাফেজ।

Post a Comment